• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

‘আধুনিক রেল গড়তে সহযোগীতা চাই’


প্রকাশিত: ৯:১১ পিএম, ২৪ জানুয়ারী ১৯ , বৃহস্পতিবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১৭২ বার

পঞ্চগড় প্রতিনিধি : সততা-নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আধুনিক রেল গড়তে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগীতা চাইলেন রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন। তিনি বললেন, জনগণের সঙ্গে সরকারের সংযোগ তৈরি করতে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন আরো বললেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের কল্যাণে নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে জনমানুষের কল্যাণে সাংবাদিকতা পেশাকে কাজে লাগানোর জন্য তিনি সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানান।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পঞ্চগড় প্রেস ক্লাব আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী। নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপোস নেই। ৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতিষ্ঠিত করে দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

পঞ্চগড় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ গোলাম আজম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত সম্রাট, চেম্বার সহসভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা, প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বাবু, সাংবাদিক শহীদুল ইসলাম শহীদ, এসএ মাহমুদ সেলিম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এর আগে মন্ত্রী পঞ্চগড় রেল স্টেশন পরিদর্শনকালে এক সুধী সমাবেশে যোগ দেন। এ সময় তিনি বলেন, বিএনপি তাদের শাসন আমলে বাংলাদেশ রেলওয়েকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল, সেই মৃত অবস্থা থেকে পুর্নজীবিত করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। গত দশ বছরে বাংলাদেশ রেলওয়েকে ঢেলে সাজানোর উদ্যেগ নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালে রেলওয়েকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা করে রেল মন্ত্রণালয় সৃষ্টি করেছেন। রেলের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। কয়েক মাসের মধ্যে ৫০টি নতুন কোচ আমদানি করা হবে। পঞ্চগড় রেলওয়ে ষ্টেশনকে আধুনিকায়ন করা হবে। যাত্রীদের পারাপারের জন্য ওভার ব্রিজ করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে হাইস্পিড ট্রেন চলাচলের কাজ শুরু হয়ে গেছে, প্রত্যেক জেলার সঙ্গে রেলের সংযোগ ঘটানো হবে, উত্তরবঙ্গের জন্য আলাদা রেল ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পঞ্চগড় থেকে বাংলাবান্ধা, চিলাহাটি থেকে হলদিবাড়ি হয়ে ভারতের সঙ্গে রেল যোগাযোগের কাজ অচিরেই শুরু হবে। মিয়ানমার হয়ে চীনের সঙ্গেও রেল যোগাযোগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। জনগণ চাওয়ার আগেই সরকার এসব বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে রেল যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা হবে।

এ সময় বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের জিএম খন্দকার শহীদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার গিয়াস উদ্দিনন আহমেদ, বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের চিফ ইঞ্জিনিয়ার আফজাল হোসেন, বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।