৩ শতাধিক জাসদ পাকড়াও রাজধানীতে
উপকমিশনার মো. আকতার হোসেন বিকাল ৪টায় দৈনিক জাতির কন্ঠকে বলেন, “আমরা এখন পর্যন্ত জানতে পেরেছি ওই কার্যালয়ের সামনে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান হয়েছিল, আর ভেতরে একটি মিটিং চলছিল।“এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অনেককে নিয়ে যাচ্ছে, এ পর্যন্ত ৩০-৪০ জন পল্টন থানায় নেওয়া হয়েছে। এখনো আমাদের কার্যক্রম চলছে, পুরো প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
দুপুর আড়াইটার দিকে জাসদ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসময় ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়নকে বলতে দেখা যায়, “এখানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গোপন বৈঠক করছে।”এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “এটা মিথ্যা কথা, আমাদের প্রতিনিধি সভা চলছিল।
“এখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা আসবে কেন, একটা কিছু বলে আমাদের উপর আক্রমণ করাটাই বিষয়।”তিনি দাবি করেন, বেলা ৩টার দিকে পুলিশ এসে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের জাসদ কার্যালয় থেকে বের করে দিয়ে জাসদ নেতাকর্মীদের আটক শুরু করে।
“আপনারা যে কিছুদিন যাবৎ দেখতেছেন বিভিন্ন জায়গায় জ্বালাও-পোড়াও করতেছে, বোমা বাাজি করতেছে, এই তারই অংশবিশেষ আজকে তারা এখানে গোপন বৈঠক বসছে।
“তারপরে তো আপনারা দেখতেই আছেন প্রশাসনের লোকজন তাদেরকে এক এক করে গাড়িতে উঠাইয়া নিয়ে যাচ্ছে। এই পর্যন্ত ৯৫ জনকে গাড়িতে উঠাইয়া থানায় নেওয়া হইছে। এখনো আরও অনেক লোক এখানে বাকি আছে।”



