তিন বাংলাদেশী খুনী ‘শাহাদাত’ রোম পুলিশের হেফাজতে
ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় সন্দেহবাজন লোকটির নাম শাহাদাত হোসেন। তার জন্ম ১৯৮৩ সালের ১০ মে। বাংলাদেশে জন্ম। কারো কাছে যে কোন নির্দেশিকা বা তথ্য যদি থাকে রোম কোয়েস্টের মোবাইল টিমের ৩৩৪৬৯০৩২৯৫ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়
রোম থেকে প্রদীপ কুমার : ইতালির রাজধানী রোমে নিজ বাসায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় সন্দেহভাজন খুনির ছবি প্রকাশ করেছে ইতালির প্রধান জাতীয় বেসামরিক পুলিশ বাহিনী।বাহিনীটির ফেইসবুক পেইজে তারা লিখেন, ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় সন্দেহবাজন লোকটির নাম শাহাদাত হোসেন। তার জন্ম ১৯৮৩ সালের ১০ মে। বাংলাদেশে জন্ম। কারো কাছে যে কোন নির্দেশিকা বা তথ্য যদি থাকে রোম কোয়েস্টের মোবাইল টিমের ৩৩৪৬৯০৩২৯৫ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়।
সন্দেহভাজন শাহাদাত হোসেন চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি খুনের শিকার ওই পরিবারটির পূর্ব পরিচিত ছিল। তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক পদে আছেন।এদিকে নিহত কামাল উদ্দিন বাবুলের বাবা মোহাম্মদ সিরাজ সকালে দাবি করেন, ‘এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।’হত্যার আগে সন্দেহভাজন শাহাদাত হোসেন তার ফেসবুক পেইজে লেখেন, ‘একজন মানুষ শুধু নিজে একা মরে না, নিজেও মরে অন্যকে মরার মতো করে রেখে যায়। তাই মরার সময় প্রিয়জনদেরও সাথে নিয়ে মরা উচিৎ। তাতে কারো জন্য কাউকে কষ্ট পেতে হয় না ‘
প্রসঙ্গত, গতকাল শুক্রবার রাতে রোমের পার্শ্ববর্তী ক্যাসালোত্তি এলাকার ভিয়া মন্তিলিওর অ্যাপার্টমেন্ট থেকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামাল উদ্দিন বাবুল (৪০), তার স্ত্রী আরজু বেগম (৩৮) এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। আহত বড় ছেলে আমির হোসেন অয়নকে (২০) উদ্ধার করে রোমের জেমেলি পলিক্লিনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনজনের মরদেহ বর্তমানে রোমের একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
এদিকে ইতালি পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের সময় অ্যাপার্টমেন্ট থেকে চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে রোম পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (স্কোয়াড্রা মোবাইল) ও ফরেনসিক দল তদন্ত শুরু করেছে।




