• বুধবার , ১ জুলাই ২০২৬

পুলিশকে ধমক- ইনুর ১০ বছর জেল-রায়ে ক্ষুদ্ধ উভয় পক্ষ


প্রকাশিত: ১২:২৮ এএম, ১ জুলাই ২৬ , বুধবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ৪১ বার

 

পুলিশকে ধমক দিলেন ইনু । উচ্চস্বরে আঙ্গুল উঁচিয়ে বললেন, কোর্টের অর্ডার আছে হাত ধরবেন না, কিন্তু পুলিশ ফের হাল ধরলে আবারও থেমে গিয়ে ধমক দিলেন ধরবেন না, মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

বিশেষ প্রতিনিধি : কোর্টে ঢোকার সময় পুলিশকে ধমক দেয়া জাসদ সভাপতি ইনুর ১০ বছর জেল হয়েছে। রায়ে ক্ষুদ্ধ একদিকে ইনু অন্যদিকে সাজা কম হওয়ায় অসন্তষ্ট রাষ্টপক্ষও! আমাদের কোর্ট রিপোর্টার জানান, মঙ্গলবার কোর্টে প্রবেশ মুখেই পুলিশকে ধমক দিলেন ইনু । উচ্চস্বরে আঙ্গুল উঁচিয়ে বললেন, কোর্টের অর্ডার আছে হাত ধরবেন না, কিন্তু পুলিশ ফের হাল ধরলে আবারও থেমে গিয়ে ধমক দিলেন ধরবেন না, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু।জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

ওদিকে ইনুর বিরুদ্ধে যে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে অসন্তোষ্ট রাষ্ট্রপক্ষ বলেছে তারা সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে আপিল করবো বলে দৈনিক সত্যকথা প্রতিদিন কে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন ইনু। বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) এই রায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। এর মধ্য দিয়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ষষ্ঠ মামলার রায় ঘোষিত হলো। এ মামলার একমাত্র আসামি ইনুর বিরুদ্ধে মোট আটটি অভিযোগ আনা হয়।

এর মধ্যে তিন অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। প্রত্যেকটি অভিযোগে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
রায়ে বলা হয়েছে, যদিও তিনটি অভিযোগে মোট ৩০ বছর সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন, তবে সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছর ভোগ করতে হবে।
গত বছরের ৩০ নভেম্বর এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। জামায়াত-শিবিরের বিরোধিতা করার কারণেই এ মামলায় হাসানুল হক ইনুকে আসামি করা হয়েছে বলে দাবি করেন ইনুর আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী দাবি করেছেন।

এ মামলায় প্রথম সাক্ষ্য গ্রহণ হয় ১ ডিসেম্বর। প্রসিকিউশন এ মামলায় ১০ জন সাক্ষী হাজির করে। আসামিপক্ষও দুজন সাফাই সাক্ষী হাজির করে। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয় চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল। এক মাস পর যুক্তিতর্ক শেষ হয় ১৩ মে। এর পর থেকে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষায় ছিল। ২২ জুন ট্রাইব্যুনাল রায়ের দিন ধার্য করেন।