• সোমবার , ৪ মে ২০২৬

মব ইজ আ রিঅ্যাকশন অব দ্য পিপল:আইনমন্ত্রী


প্রকাশিত: ৮:৩৫ পিএম, ৪ মে ২৬ , সোমবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ২৮ বার

৫ আগস্টের পরে যে মবগুলো হয়েছে, সেগুলোও একধরনের সিস্টেমেটিক ওয়েতে (পদ্ধতিগতভাবে) হয়েছে এবং ওয়াইডস্প্রেড (ব্যাপক মাত্রায়) হয়েছে। এগুলোও কি ভবিষ্যতে তদন্ত করে ট্রাইব্যুনালে বিচার করা যাবে কি না?’

 

কোর্ট রিপোর্টার : ‘মব ইজ আ রিঅ্যাকশন অব দ্য পিপল’ বা মব হচ্ছে জনগণের প্রতিক্রিয়া বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আজ সোমবার বিকেলে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন। আইনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ প্রথমবারের মতো ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন দলের সঙ্গে বৈঠক করেন আসাদুজ্জামান। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

ব্রিফিংয়ে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘মাননীয় মন্ত্রী, এই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের যে সংজ্ঞা, সেখানে…ওয়াইডস্প্রেড, পূর্বপরিকল্পিত এ ধরনের যে কাজগুলো হয়, পরিকল্পিতভাবে যে হত্যাকাণ্ড হয়, সেগুলো মানবতাবিরোধী অপরাধ। ৫ আগস্ট পর্যন্ত আপনারা দায়মুক্তি দিয়েছেন। ৫ আগস্টের পরে যে মবগুলো হয়েছে, সেগুলোও একধরনের সিস্টেমেটিক ওয়েতে (পদ্ধতিগতভাবে) হয়েছে এবং ওয়াইডস্প্রেড (ব্যাপক মাত্রায়) হয়েছে। এগুলোও কি ভবিষ্যতে তদন্ত করে ট্রাইব্যুনালে বিচার করা যাবে কি না?’

‘মব ইজ আ রিঅ্যাকশন অব দ্য পিপল’

এর জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘মব ইজ নট সিস্টেমেটিক অর ওয়াইডস্প্রেড (মব পদ্ধতিগত বা ব্যাপক মাত্রার নয়)। মব ইজ আ রিঅ্যাকশন অব দ্য পিপল (মব জনগণের প্রতিক্রিয়া)। এবং সেটা যদি অর্ডিনারি ক্রাইমের (সাধারণ অপরাধ) মধ্যে পড়ে, সেটা অর্ডিনারি আইন অনুসারে দেখা হবে। আপনি যদি সেই বিচার করতে যান অনেক বিষয় চলে আসবে এর পেছনে। তাহলে যেকোনো স্বাধীনতাসংগ্রাম, যেকোনো গণ–অভ্যুত্থান, যেকোনো বিপ্লবকে আপনার অসম্মান করা হবে।’

১৭ মে গুম কনসালটিং মিটিং-

ব্রিফিংয়ে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, পরবর্তী অধিবেশন বাজেট অধিবেশন। গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু অধ্যাদেশের বিষয়ে কবে নাগাদ সংসদে পুনরায় বিল উঠবে, এ রকম কোনো…।এর জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, বাজেট অধিবেশনে না উঠলে পরের অধিবেশনে উঠবে। ১৭ মে মানবাধিকার কমিশন আইন ও গুম সংক্রান্ত আইন এই দুটির কনসালটেশন মিটিং ডাকা হয়েছে। পর্যায়ক্রমিকভাবে সময়মতো এগুলো সামনে আনা হবে।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশের বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ওটাও আমরা বিবেচনার মধ্যে রাখছি।’ ‘আপনারা কী চাচ্ছেন? কালকেই পাস করে দিই?’—সাংবাদিকদের উদ্দেশে এমন প্রশ্নও রাখেন আইনমন্ত্রী।তখন একজন সাংবাদিক বলেন, সরকারের দিক থেকে একটা বক্তব্য শোনা গেছে যে সচিবালয় বিশেষ করে বিচার বিভাগকে যদি সুপার স্বাধীনতা দিয়ে দেওয়া হয়, সে ক্ষেত্রে ব্যালান্স না–ও থাকতে পারে, বর্ডার ক্রস করতে পারে, এ ধরনের বক্তব্য এসেছে। আপনি আইনমন্ত্রী হিসেবে আসলে সেটা মনে করেন কি না?’

আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সরকার বলতে এই অর্থে আইন মন্ত্রণালয়কে বোঝায়। আইনমন্ত্রী হিসেবে এ ধরনের কোনো বক্তব্য আমরা বলি নাই। সুতরাং অন্য কে কী বলল, সেটা আমার কাছে কগনিজেবল (আমলে না নেওয়া) না।’