• বৃহস্পতিবার , ২৩ জুলাই ২০২৬

টেক্সটাইল মিলের সার্বিক সমস্যা সমাধানের আশ্বাস-বিটিএমএ সভাপতির সামনেই প্রধানমন্ত্রীর কমিটি গঠন-


প্রকাশিত: ৬:০৭ পিএম, ২২ জুলাই ২৬ , বুধবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ৪৮ বার

 

টেক্সটাইল মিলের সার্বিক সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই তাতক্ষণিক হস্তক্ষেপে অভিভূত বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল । তিনি দৈনিক সত্যকথা প্রতিদিন কে বলেন, এতো ত্বরিত গতির সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা আগে দেখা যায়নি, যেটা প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দেখা গেছে

 

বিশেষ প্রতিনিধি : বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এর সামনেই প্রধানমন্ত্রীর কমিটি গঠন করে টেক্সটাইল মিলের সার্বিক সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই তাতক্ষণিক হস্তক্ষেপে অভিভূত বিটিএমএ সভাপতি। তিনি দৈনিক সত্যকথা প্রতিদিন কে বলেন, এতো ত্বরিত গতির সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা আগে দেখা যায়নি, যেটা প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দেখা গেছে।

বস্ত্রখাতের বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করতে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে আহ্বায়ক করে ৩ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ কমিটিকে আগামী ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনের আলোকে পরবর্তীতে বস্ত্রখাতকে নীতি সহায়তা দেওয়া হবে।

সচিবালয়ে বুধবার সকালে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে বিটিএমএর পক্ষ থেকে বস্ত্রখাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেলের সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যমুনা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিটিএমএর সহ-সভাপতি শামীম ইসলাম, সাবেক সভাপতি এ. মতিন চৌধুরী, সাবেক পরিচালক সৈয়দ এনায়েত কবির, ইঞ্জিনিয়ার রাজীব হায়দার, বর্তমান পরিচালক চৌধুরী মোহাম্মদ হানিফ সোয়েব, বাদশা মিয়া ছাড়াও আমানত শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান হেলাল মিয়া, মুন্নু ফেব্রিক্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামিউল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে উপস্থিত সূত্র জানায়, বাংলাদেশে সুতা ডাম্পিং, শিল্পে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটসহ বস্ত্রশিল্পের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের ব্যাপারে বেশি আলোচনা হয়েছে। সমস্যাগুলো পর্যালোচনা ও সমাধানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে দেন প্রধানমন্ত্রী। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। কমিটিকে আগামী সাতদিনের মধ্যে বস্ত্রখাতের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে টেক্সটাইল শিল্পের সার্বিক অবস্থা জানানো হয়েছে। তিনি এ খাতের সমস্যা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল আছেন। সমস্যাগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে আগামী সপ্তাহে আবার বৈঠকের অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, এতো ত্বরিত গতির সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা আগে দেখা যায়নি, যেটা প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দেখা গেছে। সরকারের সহায়তা পেলে এই খাত আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।

শওকত আজিজ রাসেল বলেন, আওয়ামী লীগ বা অন্তর্বর্তী সরকার টেক্সটাইল শিল্পের সমস্যাগুলো সমাধানে কোনো উদ্যোগ নেয়নি। গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যাগুলো রাতারাতি সমাধানের আশা করা যুক্তিযুক্ত হবে না। তবে বর্তমান সরকার পদক্ষেপ নিচ্ছে। একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল আনা হচ্ছে। এতে গ্যাস সংকট কমবে। বিকল্প জ্বালানির বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী ভাবছেন।

বন্ধ কারখানা সম্পর্কে শওকত আজিজ রাসেল আরও বলেন, বন্ধ ও অর্ধবন্ধ কারখানা চালু করা গেলে তাৎক্ষণিক ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সম্ভব। এগুলো চালু করতে হলে বাংলাদেশে ডাম্পিং বন্ধ করতে হবে। আশা করছি প্রধানমন্ত্রী এক মাসের মধ্যে সমস্যাগুলো সমাধান করবেন।