• মঙ্গলবার , ২৭ অক্টোবর ২০২৬

আইন মন্ত্রীর খসড়ায় ক্ষুদ্ধ প্রধান বিচারপতি


প্রকাশিত: ১:৫৭ পিএম, ৩০ জুলাই ১৭ , রোববার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১২৯ বার

বিশেষ প্রতিনিধি :  আইনমন্ত্রীর দেয়া নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালার খসড়ায় আদালতের সুপারিশ Chief_Justice_Surendra_Kumar_Sinha-www.jatirkhantha.com.bdনা রাখায় রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।
অ্যাটর্নি জেনারেলকে তিনি বলেন, ‘খসড়ার বিষয়ে আইনমন্ত্রীর সাথে আলাপকালে আমি যে বিষয়গুলো খসড়ায় রাখার কথা বলেছিলাম, এই খসড়ায় তার কিছুই নেই। এর মানে তিনি পুরোপুরি ইউটার্ন করেছেন।’

anisul_huq_www.jatirkhantha.com.bdপ্রধান বিচারপতি আরও বলেন, ‘আমরা চাই সুন্দর একটা আইন হোক। তাই আসুন আমরা বসি। আপিল বিভাগের সব বিচারক, আপনি, মাননীয় আইনমন্ত্রী ও আইন মন্ত্রণালয় চাইলে সেই বৈঠকে তাদের পক্ষ থেকে এক্সপার্ট রাখতে পারবে। আজ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত যেকোন দিন দুপুর ২ টার পর থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত আমাদের বসতে সমস্যা নেই।’

এরপর প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই সংক্রান্ত শুনানি আগামি রোববার পর্যন্ত মুলতবি করেন। এর আগে গত ২৭ জুলাই প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সাথে সাক্ষাৎ করে আইনমন্ত্রী প্রধান বিচারপতির কাছে বিধিমালার চুড়ান্ত খসড়া হস্তান্তর করেন।

এর আগে অ্যাটর্নি জেনারেলের সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ২৩ জুলাই প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চ বিধিমালার গেজেট প্রকাশে সরকারকে এক সপ্তাহ সময় দেন। ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাসদার হোসেন মামলায় (বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ) ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেওয়া হয়। ওই রায়ে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল।

আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর ২০১৫ সালের ৭ মে আইন মন্ত্রণালয় শৃঙ্খলা সংক্রান্ত একটি খসড়া বিধি প্রস্তুত করে সুপ্রিমকোর্টে পাঠায়। কিন্তু গত বছরের ২৮ আগস্ট আপিল বিভাগ খসড়ার বিষয়ে বলেন, শৃঙ্খলা বিধিমালা সংক্রান্ত সরকারের খসড়াটি ছিল ১৯৮৫ সালের সরকারি কর্মচারি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালার হুবহু অনুরূপ, যা মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পরিপন্থী।