• শুক্রবার , ৬ মার্চ ২০২৬

সংকটময় মূহুর্তে দেশ-ভোটে নির্ভর করছে সবকিছু: সিইসি


প্রকাশিত: ১:১৭ পিএম, ৩ নভেম্বর ২৫ , সোমবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১৬৪ বার

 

এই অবস্থায় দেশ কোনদিকে যাবে, তা আগামী নির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন সিইসি।রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা ছাড়া কখনও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়া সম্ভব নয়।

বিশেষ প্রতিনিধি : বাংলাদেশ এখন সংকটময় মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। এই অবস্থায় দেশ কোনদিকে যাবে, তা আগামী নির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন সিইসি। সোমবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় নির্বাচনে আনসার-ভিডিপির ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা মহড়া ও আনসার সদস্যদের সমাপনী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে এমনটা জানান তিনি।

সিইসি বলেন, রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা ছাড়া কখনও একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়া সম্ভব নয়। ১০ লাখ লোক নির্বাচনী কার্যক্রমে যুক্ত থাকবেন। যারা জেলে আছে এবং প্রবাসীদের জন্যও এবার অ্যাপে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ভোট দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচনে বিশাল ভূমিকা থাকবে আনসার সদস্যদের। সংখ্যার দিক দিয়ে এটিই সর্ববৃহৎ বাহিনী। গতানুগতিক ধারায় কাজ করলে হবে না। এর বাইরে গিয়ে কাজ করতে হবে। এআইয়ের অপব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো অপপ্রচারের বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

সিইসি বলেন, এআইয়ের অপব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটানো সম্ভব। এ ধরনের ঘটনা যাচাই করে তারপর শেয়ার করবেন। সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ এই বার্তা সারাদেশে ছড়িয়ে দিন। আনসাররাও এই মেসেজ দেবেন জনগণকে।সিইসি বলেন, গণতন্ত্র কোন পথে হাঁটবে সেটি নির্ভর করছে আগামীর নির্বাচনের ওপর। এই নির্বাচনকে আমি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি। গতানুগতিকভাবে এই নির্বাচন করলে হবে না।তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সহায়তা ছাড়া সুষ্ঠু–সুন্দর নির্বাচন সম্ভব না।

যতই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োগ করি না কেন।তিনি বলেন, বিশেষ করে আগামী নির্বাচনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিশাল ভূমিকা আছে। আনুমানিক ১০ লাখ লোক নিয়োগ হবে এই নির্বাচনে। সিইসি বলেন, ১৬ নভেম্বর পোস্টাল ব্যালট লঞ্চ হবে। ১৮ তারিখ প্রবাসীদের অ্যাপ আসবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে মূল শক্তি হলো আনসার-ভিডিপির সদস্যরা। এদের ওপর ভবিষ্যতের বাংলাদেশের গতিপথ নির্ভর করছে।