• শুক্রবার , ৬ মার্চ ২০২৬

ভোটে কারচুপি হলেই জামায়াত জিতবে ওদের ভোট ৫-৭% : শ্রিংলা


প্রকাশিত: ১১:৫৯ পিএম, ২৪ জানুয়ারী ২৬ , শনিবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ৭৬ বার

“যারা দেশটির অন্তর্বর্তী সরকার চালাচ্ছেন, তারা নিজেরা নির্বাচিত নন।“এই সরকার এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। ভারত সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, সব রাজনৈতিক দলেরই নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা উচিত।

 

কলকাতা প্রতিনিধি : নির্বাচন ‘অবাধ ও সুষ্ঠু’ হলে জামায়াতে ইসলামীর জয়ী হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে ভারতের সাবেক হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা।এ কূটনীতিকের পর্যবেক্ষণ বলছে, কেবল ভোটে কারচুপি হলেই ধর্মভিত্তিক দলটির ক্ষমতায় আসা সম্ভব।শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শ্রিংলা।সেখানে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে এক সাংবাদিক জানতে চাইলে তিনি বলেন, “যারা দেশটির অন্তর্বর্তী সরকার চালাচ্ছেন, তারা নিজেরা নির্বাচিত নন।“এই সরকার এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, যা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। ভারত সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, সব রাজনৈতিক দলেরই নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকা উচিত। কিন্তু বাস্তবে সেটা হচ্ছে না।”

এর মধ্যে এক সাংবাদিক বলেন, “নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী জয়ী হলে বাংলাদেশ তো তাদের হাতে চলে যাবে।”তখন শ্রিংলা বলেন, “অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ইসলামপন্থি দলটি কখনোই জয়ী হতে পারবে না।“নির্বাচন যদি নিরপেক্ষ না হয়, যদি কারচুপি হয়, তাহলেই কেবল তারা ক্ষমতায় আসতে পারে।”তিনি বলেন, “তাদের ভোটের হার পাঁচ থেকে সাত শতাংশ। তাদের প্রতি জনসমর্থন নেই।”

ফেব্রুয়ারিতে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের সরে দাঁড়ানোর বিষয়েও শ্রিংলার প্রতিক্রিয়া জানতে সাংবাদিকরা।জবাবে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের খেলতে না আসার সিদ্ধান্ত ক্রিকেটের স্বার্থের পরিপন্থি; এতে ক্রিকেটই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”বাংলাদেশি ‘অনুপ্রবেশকারী’ সম্পর্কেও জানতে চান এক সাংবাদিক।জবাবে রাজ্যসভার সদস্য শ্রিংলা বলেন, “বাংলাদেশ থেকে যারা আসছে, তাদের রাজনৈতিক স্বার্থে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে।

“এসব অনুপ্রবেশকারী একটি সমস্যা এবং এই প্রক্রিয়া বন্ধ করতে হবে। আমরা চাই পশ্চিমবঙ্গ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাক।”২০১৬ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশে হাই কমিশনার হয়ে আসেন শ্রিংলা, যিনি পঙ্কজ শরণের স্থলাভিষিক্ত হন।ঢাকায় আসার আগে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যুগ্ম সচিব হিসেবে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার ও মালদ্বীপের বিষয়গুলোর দেখভাল করেন তিনি।দিল্লির সেন্ট স্টিফেনস কলেজের স্নাতক শ্রিংলা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ দেওয়ার আগে ভারতের করপোরেট ও সেবা খাতেও কাজ করেন।