তথ্য কমিশন গঠন না করায় অন্তর্বর্তী সরকার ব্যর্থ: টিআইবি প্রধান
‘সরকারি তথ্য সরকারের তথ্য নয়। সরকারি তথ্য কোনো সরকারি কর্মকর্তার তথ্য নয়। এসব সরকারি তথ্য হলো জনগণের। এবং জনগণের অধিকার রয়েছে তথ্য জানার: টিআইবি নির্বাহী পরিচালক
স্টাফ রিপোর্টার : ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ‘সরকারি তথ্য সরকারের তথ্য নয়। সরকারি তথ্য কোনো সরকারি কর্মকর্তার তথ্য নয়। এসব সরকারি তথ্য হলো জনগণের। এবং জনগণের অধিকার রয়েছে এসব তথ্য জানার। দায়িত্বে আসার এক বছরেরও বেশি সময় চলে যাবার পরেও তথ্য কমিশন গঠন না করার দায় অন্তর্বর্তী সরকারকেই নিতে হবে। তথ্য অধিকার আইনের সংস্কার জরুরি।’
আন্তর্জাতিক তথ্য জানার অধিকার দিবস উপলক্ষে আজ রোববার ২৮ সেপ্টেম্বর এক সেমিনারের আয়োজন করে তথ্য অধিকার ফেরাম। তাতে এই মন্তব্য করেন টিআইবি প্রধান। এত আরও উপস্থিত ছিলেন সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। এতে অংশ নিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন সাংবাদিকেরা।এক সাংবাদিক জানান, পেশাগত কারণে তথ্য চেয়ে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন ৭০০টি। এর মধ্যে তথ্য তথ্য পেয়েছেন ৫৫০টি। বাকিগুলোর বিষয় ঝুলে আছে কমিশনে। এই জন্য উচ্চ আদালতেও গেছেন।
এই প্রেক্ষিতে বিভিন্ন মন্তব্য করেন বিশ্লেষকেরা। সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আসছে জাতীয় নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে তথ্য অধিকার আইনের স্বতঃস্ফূর্ত ব্যবহার করতে হবে। এটি করা না গেলে আস্থার সংকটে পড়বে ভোট বলে মনে করে ।বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘তারা তথ্য গোপন করে এবং ভুল তথ্য দেয়, তাদের প্রার্থিতা যেন বাতিল করা হয়। মিথ্যা তথ্য দিয়ে তারা যদি নির্বাচিতও হয়, তাদের নির্বাচনও যেন বাতিল করা হয়।’
তথ্য জানতে সংশ্লিষ্ট স্থানে চাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব মাহমুদুল হোসাইন। তিনি বলেন, ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাজ হচ্ছে তথ্য সংগ্রহ করে সরবরাহ করা। কিন্তু এসব বিষয়ে আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারাও জানে না, নাগরিকদের মধ্যেও জানার অভাব রয়েছে।’ তথ্য কমিশনের স্বাধীনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নির্বাচন ও জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানে একটি প্রোটোকল চালু সময়ের দাবি বলে মত প্রকাশ করেন আলোচকরা।




