• শুক্রবার , ৬ মার্চ ২০২৬

জরেজের জিঘাংসা-রংপুরের কাঁচামাল ব্যবসায়ী আশরাফুল হলো ২৬ টুকরা।


প্রকাশিত: ৯:০৮ পিএম, ১৪ নভেম্বর ২৫ , শুক্রবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১৬১ বার

আশরাফুল হক দিনাজপুরের হিলি বন্দর থেকে সারা দেশে পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, আলুসহ কাঁচামাল সরবরাহ করতেন। গত মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে আসামি জরেজকে নিয়ে ঢাকায় আসেন তিনি। এরপর থেকে আশরাফুলের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।

 

স্টাফ রিপোর্টার : জরেজের জিঘাংসা-রংপুরের কাঁচামাল ব্যবসায়ী আশরাফুল হলো ২৬ টুকরা।  হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠের গেটের কাছে ড্রাম থেকে রংপুরের কাঁচামাল ব্যবসায়ী আশরাফুল হকের ২৬ টুকরা লাশ উদ্ধারের ঘটনার পর শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। নিহতের বোন আনজিরা বেগম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।মামলায় আশরাফুলের বন্ধু জরেজ মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদ মনসুর।ওসি খালিদ মনসুর বলেন, এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে হত্যাকারীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।পুলিশ বলছে, হত্যার কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। তদন্তের অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

এজাহারে আনজিরা বেগম লিখেছেন, তার বড় ভাই আশরাফুল হক দিনাজপুরের হিলি বন্দর থেকে সারা দেশে পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, আলুসহ কাঁচামাল সরবরাহ করতেন। গত মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে আসামি জরেজকে নিয়ে ঢাকায় আসেন তিনি। এরপর থেকে আশরাফুলের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। স্বজনদের সন্দেহ, আসামি জরেজ তার সহযোগী অজ্ঞাতনামা আসামিদের সহযোগিতায় গত ১১ নভেম্বর রাত থেকে ১৩ নভেম্বর রাতের মধ্যে যে কোনো সময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আশরাফুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন।
হত্যার পর মরদেহ মোট ২৬টি খণ্ডে খণ্ডিত করে গুম করার উদ্দেশ্যে দুটি নীল রঙের ড্রামের ভেতর ভরে রেখে অজ্ঞাতস্থানে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহের সামনে দুটি নীল রঙের ড্রাম থেকে আশরাফুলের ২৬ টুকরা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।