ঘটনার দেড় বছর পর ২৫ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী ট্রাইব্যুনালে নালিশ
বিশেষ প্রতিনিধি : ঘটনার দেড় বছর পর ২৫ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ দাখিল করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতাকে দমনে শেখ হাসিনাকে সার্বিক সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয় এই ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে দৈনিক সত্যকতা প্রতিদিন কে বলেন, যাচাই-বাছাই শেষে শিগ্গিরই তদন্তের জন্য ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় অভিযোগটি পাঠানো হবে।
যে সব ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয় তারা হলেন, সালমান এফ রহমান, নাসা গ্রুপের নজরুল ইসলাম চৌধুরী, হামিম গ্রুপের একে আজাদ, এস আলমের সাইফুল আলম, বসুন্ধরার আহমেদ আকবর সোবহান, আনোয়ার পারভেজ, প্রাণ গ্রুপের মো. সানী, প্রীতি চাকমা, হাবিবুল্লাহ ডন, মেঘনা গ্রুপের মোস্তফা কামাল, ওরিয়নের ওবায়দুল করিম ও আ হ ম মোস্তফা কামাল লোটাসসহ ২৫ জন।
মঙ্গলবার দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিফাত রশীদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে লিখিতভাবে এই অভিযোগ দাখিল করে। অভিযোগে বলা হয়, আন্দোলন চলাকালীন ২০২৪ এর ২২ জুলাই ইন্টারনেট বন্ধ থাকা অবস্থায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জড়োহন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা। ওই অনুষ্ঠান থেকে তারা শেখ হাসিনাকে আন্দোলন দমনে সকল ধরনের প্রতিশ্রুতি দেন এবং সে অনুযায়ী কাজ করেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সভাপতি রিফাত রশিদ বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে, কিন্তু তার সহযোগী ব্যবসায়ীদের বেশিরভাগই ধরাছোঁয়ার বাইরে। তাদের ট্রাইব্যুনালে বিচারের দাবি করছি।




