কাঁদলেন কাঁদালেন তারেক রহমান
২০১৫ সালে নির্বাসনে থাকাকালে ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোকেও হারান তারেক রহমান। মায়ের পাশাপাশি তাঁরা দুই ভাই ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির পর গ্রেপ্তার হয়েছিলেন
বিশেষ প্রতিনিধি : রাজধানীর জিয়া উদ্যানে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে গিয়ে কাঁদলেন কাঁদালেন তারেক রহমান। লন্ডনে ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফেরার পরদিন আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে যান তারেক রহমান। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাতার প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর দোয়া ও মোনাজাত করেন। পরে বাবার কবরের সামনে দাঁড়িয়ে দুহাত তুলে মোনাজাত করেন তারেক রহমান। তিনি কিছুক্ষণ একা নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন, এ সময় তাঁকে চোখ মুছতে দেখা যায়।
১৯৮১ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন, তখন তারেক রহমানের বয়স ১৬ বছর। আওয়ামী লীগের শাসনামলে ২০১৫ সালে নির্বাসনে থাকাকালে ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোকেও হারান তারেক রহমান। মায়ের পাশাপাশি তাঁরা দুই ভাই ২০০৭ সালে জরুরি অবস্থা জারির পর গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, ২০০৮ সালে মুক্তি পাওয়ার পর তারেক রহমান যুক্তরাজ্য এবং আরাফাত রহমান মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন।
কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বুলেটগ্রুফ বাসে শুক্রবার দুপুরের পর গুলশানের বাড়ি থেকে বেরিয়ে জিয়া উদ্যানে রওনা হন তারেক। তাঁর কর্মসূচি ঘিরে আজও ছিল নেতা–কর্মীদের ভিড়। তারেক রহমানও বাসের ভেতরে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছার জবাব দেন।বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বাস থেকে নেমে হেঁটে বাবার কবরে যান। এ সময় নেতা–কর্মীদের সামাল দিতে নিরাপত্তাবাহিনীকে বেশ বেগ পেতে হয়। সেখানে ১০ মিনিটের মতো ছিলেন তারেক। এরপর তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশে রওনা হন।
আগামীকাল তারেক রহমান ভোটার হওয়ার প্রক্রিয়া সারতে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে যাবেন। পরে তাঁর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় গিয়ে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের কথা রয়েছে।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হবে। নির্বাচনের আগে তারেক রহমানের ফেরায় বিএনপির নেতাকর্মীরা বেশ উজ্জীবিত।




