• শুক্রবার , ৬ মার্চ ২০২৬

‘কমিটেমেন্ট’হীন’ টাইগাররা যেন ইচ্ছাকৃতভাবে হারলো হতাশ-দর্শক


প্রকাশিত: ২:১১ এএম, ২৫ সেপ্টেম্বর ২৫ , বৃহস্পতিবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১৯৪ বার

কথায় বলে না ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস; সেটাই ঘটালো টাইগাররা! ‘কমিটেমেন্ট’হীন’ টাইগাররা যেন নিজেরা ইচ্ছাকৃতভাবে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে সারাদেশকে হতাশায় ভাসিয়ে দিল

স্পোর্টস রিপোর্টার : পারল না টাইগাররা। কথায় বলে না ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস; সেটাই ঘটালো টাইগাররা! ‘কমিটেমেন্ট’হীন’ টাইগাররা যেন নিজেরা ইচ্ছাকৃতভাবে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে সারাদেশকে হতাশায় ভাসিয়ে দিল।পুরো ম্যাচ দেখে এমনটাই জানিয়েছেন একাধিক দর্শক। ভারতের বিপক্ষে আগের ১৭ টি-টোয়েন্টির ১৬ ম্যাচ হেরেছে টাইগাররা। এবার দুবাইয়ে হারল ৪১ রানে। কাল বৃহস্পতিবার পাকিস্তানকে হারাতে পারলে ইজ্জত রক্ষা পেতে পারে। নয়তো ব্যাক টু বাংলাদেশ!

বুধবার বাংলাদেশকে হারিয়ে ভারত এশিয়া কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে যা পারেনি টাইগাররা।দেখা গেছে,ফাইনালের পথে বাংলাদেশও অনেকটা এগিয়ে যেতে পারত বুধবারই। ৬ ওভারে ভারত তুলে ফেলেছিল ৭২ রান। সেখান থেকে ২০ ওভার শেষে ১৬৮ রানে ওদের থামানোটা খারাপ ছিল না। তখনো মনে হচ্ছিল, সুযোগ আছে। কিন্তু ভারতের বোলারদের ধাঁধা মেলাতে পারলেন শুধু সাইফ হাসান। অন্যরা যেন কুলদীপ-বুমরার সামনে অসহায় হয়ে পড়লেন।

শুরুটা হয়েছিল ওপেনার তানজিদ হাসানকে দিয়ে। বুমরার গুড লেন্থে পড়া বল বুঝতেই পারেননি, মিড অনে সহজ ক্যাচ দিলেন শিবম দুবেকে। এরপর এলেন পারভেজ হোসেন। বুমরাকে এক দৃষ্টিনন্দন ছক্কা মারলেও প্রথম ৭ বলে করেছিলেন শূন্য রান। পরে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১৯ বলে ২১ রান করে কুলদীপ যাদবের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন।

পারভেজ অন্তত কিছু রান করেছেন। বাকিদের অবস্থা আরও খারাপ। তাঁরা শুধু উইকেটে গেছেন আর ফিরেছেন। স্কোরকার্ড দেখলেই বোঝা যাবে দুরবস্থাটা—সাইফ আর পারভেজ ছাড়া আর কেউ দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি! তবু পাওয়ার প্লে শেষে ১ উইকেটে ৪৪ রান ছিল। তখনো মনে হচ্ছিল অসম্ভব নয়। কিন্তু একে একে উইকেট পড়তে শুরু করলে ভেঙে পড়ে সব আশা।

বাংলাদেশের লড়াইটুকু আসলে টিকে ছিল সাইফ হাসানের ব্যাটে। দুবার জীবন পেয়েছেন—একবার হার্দিক পান্ডিয়ার হাত ফসকে, আরেকবার সাঞ্জু স্যামসনের সৌজন্যে। তবে খেলেছেন কিছু চোখধাঁধানো শটও। শেষ পর্যন্ত ৫১ বলে ৬৯ রান করেছেন ৩ চার আর ৫ ছক্কায়। বুমরার বলে অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেওয়ার আগেই অবশ্য ম্যাচটা অনেক দূরে সরে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ১২৭ রানে অলআউট—৩ বল বাকি থাকতেই হারের আনুষ্ঠানিকতা সারল বাংলাদেশ।

অথচ বোলিংয়ে বাজে শুরুর পরও শেষটা ভালোই হয়েছিল। পাঁজরের চোটে না খেলা লিটন দাসের জায়গায় ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জাকের আলী নিয়েছিলেন বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত। একাদশে এসেছিল চারটি পরিবর্তনও। প্রথম ৩ ওভারে ভারত তুলেছিল ১৭ রান। পরের ৩ ওভারে করল ৬০! সেখান থেকে আবার ঘুরে দাঁড়ানো বাংলাদেশের ব্যাটাররা কমিটমেন্ট রক্ষা না করায় হেরেছে।