• সোমবার , ১৫ জুলাই ২০২৪

বিমানের ইজিপ্ট এয়ার দুর্নীতি ১১৬১ কোটি লুটপাটে মামলা


প্রকাশিত: ৮:৫৫ পিএম, ৬ ফেব্রুয়ারি ২৩ , সোমবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১০০ বার

বিশেষ প্রতিনিধি : বাংলাদেশ বিমানের ইজিপ্ট এয়ার দুর্নীতি কে কেন্দ্র করে ১১৬১ কোটি লুটপাটের ঘটনায় সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা দায়ের করেছে। সমন্বিত ঢাকা জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি হয় বলে জানিয়েছেন কমিশনের সচিব মাহবুব হোসেন। অনিয়মের মাধ্যমে মিসর থেকে বোয়িংয়ের দুটি উড়োজাহাজ লিজ নিয়ে বিমান বাংলাদেশে এয়ারলাইন্সের ১১৬১ কোটি টাকার ক্ষতি করার অভিযোগে ২৩ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সমন্বিত ঢাকা জেলা কার্যালয়-১-এ মামলাটি হয় বলে জানিয়েছেন কমিশনের সচিব মাহবুব হোসেন।

জানা গেছে, ২০১৪ সালে পাঁচ বছরের চুক্তিতে ইজিপ্ট এয়ার (মিসর) থেকে বোয়িং ৭৭৭-২০০ ইআর নামে দুটি উড়োজাহাজ লিজ নেয় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফ্লাইট পরিচালনার পর একটি উড়োজাহাজের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়।উড়োজাহাজটি সচল রাখার জন্য ইজিপ্ট এয়ার থেকেই ভাড়ায় আনা হয় আরেকটি ইঞ্জিন। পরে ওই ইঞ্জিনও নষ্ট হয়ে যায়। সেই ইঞ্জিন মেরামত করতে পাঠানো হয় যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠানে।

এত সব প্রক্রিয়ায় ইজিপ্ট এয়ার ও মেরামতকারী কোম্পানিকে পাঁচ বছরে বাংলাদেশ বিমানের গচ্চা দিতে হয়েছে ১১৬১ কোটি টাকা।বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির তদন্তে বেরিয়ে আসে এসব তথ্য। অনুসন্ধান দলের প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন মামলার অনুমোদন দিলে সোমবার এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়া হয়।

মামলার আসমিরা হলেন বিমানের সাবেক পরিচালক (ফ্লাইট অপারেশন্স) ক্যাপ্টেন ইশরাত আহমেদ, ডেপুটি চিফ ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল আলম সিদ্দিক, মহা-ব্যবস্থাপক (মুদ্রণ ও প্রকাশনা) আবদুর রহমান ফারুকী, সাবেক মুখ্য প্রকৌশলী শহীদ উদ্দিন মোহাম্মদ হানিফ, সাবেক মুখ্য প্রকৌশলী (এমসিসি অ্যান্ড এলএম) দেবেশ চৌধুরী, সিভিল এভিয়েশনের পরামর্শক গোলাম সারওয়ার, সিভিল এভিয়েশনের প্রকৌশলী কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলাম ভূঞা, বিমানের ডিজিএম কামাল উদ্দিন আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী এ আর এম কায়সার জামান, প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার (কাস্টমার সার্ভিস) শরীফ রুহুল কুদ্দুস, সাবেক ক্যাপ্টেন (ড্যাশ-৮-৪০০) নজরুল ইসলাম শামিম, উপমহাব্যবস্থাপক (এওসি, এসিপি) জিয়া আহমেদ, সাবেক চিফ পার্সার (কাস্টমার সার্ভিস) কাজী মোসাদ্দেক আলী, ফ্লাইট পার্সার শহিদুল্লাহ কায়সার ডিউক, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (কর্পোরেট প্ল্যানিং) আজাদ রহমান, সাবেক ব্যবস্থাপক আব্দুল কাদির, সাবেক উপপ্রধান প্রকৌশলী শাহজাহান, সাবেক ইঞ্জিনিয়ার অফিসার জাহিদ হোসেন, সহকারী ব্যবস্থাপক ফজলুল হক বসুনিয়া, ব্যবস্থাপক (এসিপি) আতাউর রহমান, সাবেক চিফ পার্সার মোহাম্মদ সাজ্জাদ উল হক (শাহিন), ফ্লাইট পার্সার শাহনাজ বেগম ঝর্ণা এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার (ইঞ্জিনিয়ারং সার্ভিসেস) গাজী মাহমুদ ইকবাল।