• সোমবার , ১৫ জুলাই ২০২৪

“বসুন্ধরা নুডুলস” নিবেদিত অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন” মুক্তি পাচ্ছে ২০ জানুয়ারী-পোস্টার উন্মোচন ও ট্রেলার প্রকাশ


প্রকাশিত: ৮:১০ পিএম, ২১ ডিসেম্বর ২২ , বুধবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১০৩ বার

বিনোদন রিপোর্টার : ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের “রাতুলের রাত রাতুলের দিন” উপন্যাস থেকে নির্মিত “বসুন্ধরা নুডলস” নিবেদিত বহুল প্রতীক্ষিত শিশুতোষ চলচ্চিত্র “অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন” আগামী ২০ জানুয়ারী, ২০২৩ তারিখে মুক্তি পেতে চলেছে। এর আগে মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর মহিলা সমিতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে সিনেমাটির পোস্টার উন্মোচন ও ট্রেলার প্রকাশ করা হয়।সরকারি অনুদান প্রাপ্ত এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন আবু রায়হান জুয়েল, চিত্রনাট্য লিখেছেন জাকারিয়া সৌখিন, এছাড়াও চলচ্চিত্রটির প্রযোজনায় ছিল শট বাই শট এবং সহ-প্রযোজনায় ছিল বঙ্গ।


‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের ‘রাতুলের রাত রাতুলের দিন উপন্যাস অবলম্বনে। সিনেমাটির জন্য প্রথমবারের মত গান লিখেছেন তিনি। অনুষ্ঠানে জাফর ইকবাল নিজেও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি বলেন, আমরা লিখি, কিন্তু সিনেমায় সেটা দেখানো নির্মাতার জন্য অনেক কঠিন। গানটা যখন লিখি, তখন জানতাম না এতো ভালো হবে। গানটার দৃশ্য ধারণ হওয়ার পর আমাকে দেখাতে নিয়ে এসেছিলেন পরিচালক। আমার নাতি দেখে খুব পছন্দ করেছে। তখন বুঝলাম ভালোই হয়েছে গানটা। আশা করি সিনেমাটিও ভালো হবে, আপনারা হলে গিয়ে সিনেমাটি দেখবেন
বর্তমান প্রজন্মের দুই জনপ্রিয় তারকা সিয়াম ও পরীমণি চলচ্চিত্রটির প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও অন্যান্য চরিত্রে শহীদুল আলম সাচ্চু, কচি খন্দকার, আজাদ আবুল কালাম, আবু হুরায়রা তানভীর সহ আরো বেশ কিছু পরিচিত মূখ কে দেখতে পাবেন দর্শকেরা।


‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’সিনেমায় সিয়াম আহমেদ অভিনয় করছেন রাতুল চরিত্রে। তিনি বলেন, করোনা থেকে অনেকেই যেমন ফিরে এসেছে, তেমনি সিনেমাটাও ফিরেছে। রাতুল চরিত্রটা আমার অনেক আগে থেকে জানা। সেই চরিত্রটা করতে পারব, এটা কোনোদিন ভাবিনি। সেটাই হলো এবং এটা স্বপ্ন পূরণের মতো। আমি সিয়াম আহমেদ হয়ে গিয়ে ছিলাম, শিশুরা আমাকে রাতুল ভাইয়া করে ঢাকায় পাঠিয়েছ।সিনেমায় পরীমণি অভিনয় করেছেন তিশা চরিত্রে। তিনি বলেন, আমার ছেলেকে নিয়ে এসেছি অনুষ্ঠানে। সিনেমাটাও দেখব। ও যখন বড় হবে, তখন দেখাবো যে তোমার জন্য একটি উপহার এই সিনেমা। করোনার সময় মনে হয়েছিল, সিনেমাটা শেষ পর্যন্ত আসবে কিনা। এখন সিনেমাটা মুক্তি পাচ্ছে, সেটাই বড় পাওয়া।


অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের সেক্টর এ-এর হেড অব পাবলিক রিলেশনস প্রকৌশলী মো. জাকারিয়া জালাল, তিনি বলেন বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান স্যার ও ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়াত সোবহান স্যার এর সুদক্ষ পরিচালনায় গত চার দশক ধরে বাংলাদেশের এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে “বসুন্ধরা গ্রুপ” এর হাত পড়েছে কিন্তু সেটা স্বর্ণ হয়ে যায়নি। তিনি আরো বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপ চায় শিশুদের জন্য কিছু করতে, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে “বসুন্ধরা গ্রুপ” আগামীতেও সংস্কৃতি, খেলাধুলা সহ এমন আরো অনেক কাজে পাশে দাঁড়াবে। বাংলা ছবির নতুন এই হাওয়ায় “অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন” চলচ্চিত্রটির শুভকামনা করেন তিনি। এ সময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান লাকী ইনাম, বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাব লিমিটেডের সভাপতি কামাল মো. কিবরিয়া লিপু, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন উজ্জলসহ অনেকে।