• বৃহস্পতিবার , ১৩ জুন ২০২৪

আল্লাহর দিদার ও ৫ ওয়াক্ত নামাজ


প্রকাশিত: ৩:০৩ পিএম, ১৫ এপ্রিল ১৮ , রোববার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১০৯২ বার

আবু তাহের   :  পবিত্র শবে মেরাজ বা লাইলাতুল মেরাজ আজ । ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের কাছে এ রাত অতি পবিত্র এবং মহান আল্লাহর shab_e_miraj-www.jatirkhantha.com.bdঅফুরন্ত রহমত-বরকতে সমৃদ্ধ। বিশ্বের সকল মুসলিমের কাছে এ রাত বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, এ রাতের তাৎপর্য তাদের কাছে অপরিসীম। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের বিধানও করা হয় এই মহিমান্বিত রাতে। মেরাজ শব্দের অর্থ ঊর্ধ্বারোহণ। এ রাতেই প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) মহান আল্লাহ তায়ালার দিদার লাভ করেন এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের হুকুম নিয়ে দুনিয়াতে ফিরে আসেন।

নবুওয়তের একাদশ বছরে ২৬ রজবের এ রাতে মহানবী (সা:) আল্লাহর সান্নিধ্য পেতে মহান আল্লাহর নির্দেশে ও বিশেষ ব্যবস্থায় ঊর্ধ্বকাশে যান। সেখান থেকে বিশেষ বাহনে ৭০ হাজার নূরের পর্দা পেরিয়ে আরশে আজিমে মহান আল্লাহ তায়ালার সান্নিধ্য লাভ করেন। এরপর পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের হুকুম নিয়ে ফিরে আসেন পৃথিবীতে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সেসময় সৃষ্টি রহস্যও অবলোকন করেন।

শবে মেরাজ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের সূরা বনি ইসরাইলে বলা হয়েছে: তিনি পরম পবিত্র ও মহিমাময়, যিনি রাতে স্বীয় বান্দাকে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত নিয়ে গেলেন। যার চারদিকে আমি বরকতমণ্ডিত করেছি। যেন আমি আমার কিছু নিদর্শন দেখাই। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা (আয়াত ১)।

ওই রাতে মহানবী (সা:) প্রথমে মসজিদুল হারাম বা কাবা শরিফ থেকে জেরুজালেমে অবস্থিত বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদুল আকসায় গমন করেন এবং সেখানে তিনি নবীদের জামায়াতে ইমামতি করেন। অতঃপর তিনি বিশেষ বাহনে আসীন হয়ে ঊর্ধ্বলোকে গমন করেন। ঊর্ধ্বাকাশে সিদরাতুল মুনতাহায় তিনি আল্লাহ’র সাক্ষাৎ লাভ করেন।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, মিলাদ মাহফিল, নফল রোজা ও নফল নামাজসহ ইবাদত-বন্দেগির মধ্য দিয়ে লাইলাতুল মেরাজ পালিত হয়েছে। মুসলিমরা মহান আল্লাহর রাহে বিশেষ দোয়া করছেন। বিশেষ করে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাতের কারণে বিশ্ব মুসলিম আজ যখন নানাভাবে অন্যায়-অবিচারের শিকার হচ্ছেন, তখন মুসলিম নেতৃত্বের কাছে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে তারা যেনো হিংসা-বিভেদ ভুলে মুসলিম ভ্রাতৃত্বকে শক্তিশালী করে।