বঙ্গবন্ধুর ভুখা মিছিলে গুলি-সোহরাওয়ার্দী প্রধানমন্ত্রী হলেন

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে দক্ষিণাঞ্চল

politisian-nurul-islam-monjur-www-jatirkhantha-com-bdবাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে দক্ষিণাঞ্চল-পর্ব ৯ :-

বঙ্গবন্ধু ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী

বঙ্গবন্ধু ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী

জাতিরকন্ঠ রিপোর্ট : মিছিলে অংশ গ্রহণকারী একজন কর্মী পুলিশের গুলিতে সদরঘাটে মৃত্যুবরণ করিল। ফলে

প্রধানমন্ত্রী শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে  বঙ্গবন্ধু

মুজিব ভাইয়ের নেতৃত্বে ভুখা মিছিল বাহির হইল আবু হোসেন সরকারের পদত্যাগের দাবিসহ। ফলে আবুহোসেন সরকারের মন্ত্রীসভার পতন ঘটিল। আবু হোসেন সরকারের মন্ত্রীসভা স্থায়ী ছিল কয়েক ঘন্টা মাত্র।

juktofrontআওয়ামী লীগ সরকার গঠন করিল এবং মরহুম আতাউর রহমান খান মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হইলেন। ঐ সময় পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্যগন প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হইতেন। পাকিস্তানের জন্মলাভের ২৩ বছর পর ১৯৭০ সালে সর্বপ্রথম জনগনের ভোটে জাতীয় পরিষদের সদস্যগন নির্বাচিত হন।

পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক আন্দোলনের ফলে ‘৭০ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানি সাহেব তখন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের ঐতিহাসিক বিজয়ের পরে ভাসানি সাহেবের আবাসস্থল কাগমারিতে আওয়ামী লীগের এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

pllঅনেক বিদেশী রাজনৈতিক নের্তৃবৃন্দ স্মরণকালের শ্রেষ্ঠতম ঐ মহাসম্মেলন উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগদান করিয়া ইহার গুরুত্ব ও সৌন্দর্য বৃদ্ধি করিয়াছিলেন।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী সাহেব প্রধানমন্ত্রীত্ব গ্রহণ করার পর মওলানা ভাসানি সাহেব প্রকাশ্য ঘোষণা দিলেন যে, পাকিস্তানের পাক মার্কিন সামরিক চুক্তি (বাগদাদ চুক্তি) হইতে বাহির হইয়া আসিতে হইবে।

ইহার পরিপ্রেক্ষিতে শহীদ সোহরাওয়ার্দী সাহেব পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন আহবানের পরামর্শ দিলেন, তাহার অনুসৃত বৈদেশিক নীতির প্রতি কাউন্সিলরগণ সমর্থন করেন কিনা ভোটের মাধ্যমে পরীক্ষা করার জন্য। কারণ কাউন্সিলরগণই হইতেছেন গণতান্ত্রিক সংগঠনের প্রাণশক্তি এবং তাহদের সিদ্ধান্তই হইতেছে সর্ব্বোচ্চ এবং তা সংগঠনের জন্য অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com