অবশেষে সাংবাদিক কিমের মাথা মিলেছে!

ডেস্ক রিপোর্টার :  নিহত সুইডিশ সাংবাদিক কিম ওয়ালের নিখোঁজ কাটা মুণ্ডু অবশেষে কোপেনহেগেনে খুঁজে পেয়েছে পুলিশ। এই কোপেনহেগেনের jjকাছাকাছিই ডেনমার্কের উপকূলে গত ২১ আগস্ট পাওয়া গিওয়েছিলো তার মাথা আর হাত-পা কাটা মরদেহ।কোপেনহেগেন পুলিশ ইনস্পেক্টর জেন্স মোলার জানিয়েছেন, শুক্রবার একটি ব্যাগের ভেতর দু’টো কাটা পা সহ তার মাথা খুঁজে পায় পুলিশ।

আরেকটি আলাদা ব্যাগে তার পোশাকও পাওয়া গেছে বলে ইনস্পেক্টরের বরাতে জানিয়েছে বিবিসি। শনিবার এ তথ্য গণমাধ্যমকে জানানো হয়।
মোলার জানান, ডুবুরীরা বেশ কয়েকবার কোপেনহেগেনের উপকূলে সমুদ্রে ডুব দিয়ে দেহের খণ্ডাংশগুলো উদ্ধার করেছে। ব্যাগগুলোর ভেতর ধাতুর টুকরো ভরে সেগুলোকে ভারী করা হয়েছিল। শুক্রবার রাতেই ফরেনসিক ডেন্টিস্ট কাটা মাথার দাঁত পরীক্ষা করে নিশ্চিত করেন সেটি কিমেরই।
Kim-Wall-www.jatirkhantha.com.bd
গত ১০ আগস্ট ড্যানিশ উদ্ভাবক পিটার ম্যাডসেনের নিজের বানানো সাবমেরিনে চড়ে কোপেনহেগেন উপকূল থেকে রওনা হতে দেখা যায় সুইডেনের ৩০ বছর বয়সী সাংবাদিক কিম ওয়ালকে। তারপর থেকেই তিনি উধাও। এর ১১ দিন পর এক সাইকেল আরোহী ডেনমার্কের উপকূলে পানিতে ভাসতে দেখেন একটি মৃতদেহ, যার শুধু মাথা নয়, নানা অঙ্গও কেটে নেয়া হয়েছে। মৃতদেহের গায়ে কোনো পোশাকও ছিল না।

ধারণা করা হয়েছিলো বিকৃত ওই মৃতদেহটি নিখোঁজ সাংবাদিক কিমেরই। কিন্তু ব্যাপারটি নিশ্চিত হতে আরও সময় নেয় পুলিশ। বুধবার লাশটি পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সনাক্ত করে সেটি ওই সাংবাদিকের বলেই নিশ্চিত করা হয়।এর আগেই অবশ্য খুঁজে পাওয়া যায় ৪৬ বছর বয়সী পিটার ম্যাডসেনকে, যার সঙ্গে কিম ওয়ালকে শেষ দেখা গিয়েছিল। তবে পিটারের ভাষ্য, সাবমেরিনে থাকা অবস্থায় একটি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় কিমের।

২১ আগস্ট মৃতদেহ পাওয়ার পর ময়নাতদন্তে কিমের যৌনাঙ্গ ও পাঁজর বরাবর ছুরির আঘাত দেখা যায়। ধারণা করা হয়, মৃত্যুর সময় বা সামান্য পরেই এই আঘাতগুলো করা হয়েছিল।কিমকে হত্যা ও মৃতদেহ বিকৃত করার অভিযোগ ম্যাডসেন অস্বীকার করেছেন। অসাবধানতা বা অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগও অস্বীকার করেছেন তিনি।

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com