অফিসার্স ক্লাব একজন অসাধারন সংগঠক পেলো: প্রকৌ.মেহেদী হাসান

ইব্রাহীম হোসেন খানকে ফুলেল শুভেচ্ছায় অমিকন পাবলিশিং হাউজের চেয়ারম্যান, সিআইএস-বিসিসিআই পরিচালক এবং সৃজনশীল পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির আন্তজার্তিক পরিচালক প্রকৌশলী মেহেদী হাসান (ফাইল ছবি)

ইব্রাহীম হোসেন খানকে ফুলেল শুভেচ্ছায় অমিকন পাবলিশিং হাউজের চেয়ারম্যান, সিআইএস-বিসিসিআই পরিচালক এবং সৃজনশীল পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির আন্তজার্তিক পরিচালক প্রকৌশলী মেহেদী হাসান (ফাইল ছবি)

বিশেষ প্রতিনিধি : অফিসার্স ক্লাবের নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইব্রাহীম হোসেন খান। তিনি ভোট পেয়েছেন ২০৬৮টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেন পেয়েছেন ১১৮৩ ভোট। এ ছাড়া ৫২৩ ভোট পেয়ে তৃতীয় হন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এম খালিদ মাহমুদ। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। ৪ হাজার ৭৩১ ভোটারের মধ্যে ভোট প্রদান করেন প্রায় আটত্রিশ’শ। ভোটগ্রহণ শেষে গভীর রাতে ফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইব্রাহীম হোসেন খান বিপুল ভোটে অফিসার্স ক্লাবের নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হওযায় তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের ঐহিত্যবাহী প্রকাশনা অমিকন পাবলিশিং হাউজের চেয়ারম্যান, সিআইএস-বিসিসিআই পরিচালক এবং সৃজনশীল পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির আন্তজার্তিক পরিচালক প্রকৌশলী মেহেদী হাসান। এ উপলক্ষ্যে এক বিবৃতিতে তিনি জানান,  অফিসার্স ক্লাবের কর্মকর্তারা মো. ইব্রাহীম হোসেন খানকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে একজন দক্ষ সাধারণ সম্পাদক পেলো।

বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম মেধাবী এই সচিব  শিল্প-সাহিত্য  সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক তথ্য বিশ্লেষনে যেমন তাঁর প্রজ্ঞার শেষ নেই তেমনি সাংগঠনিকভাবেও তিনি তুলনাহীন। অফিসার্স ক্লাবের নির্বাচনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী’র চেয়ে এক হাজারের বেশী ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওযায় তিনি তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা’র স্বাক্ষর রেখেছেন।

বিবৃতিতে প্রকৌশলী মেহেদী হাসান আরো বলেন, মো. ইব্রাহীম হোসেন খান যুক্তরাষ্ট্রের ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব পাবলিক পলিসি, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনেডি স্কুল অব গভর্নমেন্ট এবং এম.ডি.আই.এস. সিঙ্গাপুর থেকে লোক প্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উচ্চতর প্রশিক্ষণ লাভ করেন। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ১৯৮৪ ব্যাচের একজন সদস্য এবং প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে চলেছেন।

এর আগে তিনি ১৯৯৬-২০০১ সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের একজন জনকল্যাণমুখী সরকারি কর্মচারী, বাংলাদেশের জনসাধারণকে সার্বিক সেবা প্রদান করাই তাঁর লক্ষ্য বলে জেনেছি।  তার প্রতি রইল সর্বাঙ্গীণ সাফল্য ও নিরন্তর শুভ কামনা।

অফিসার্স ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, অন্য পদগুলোর মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান পদে জয়লাভ করেছেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কেএম মোজাম্মেল হক। এর পরের অবস্থানে আছেন এমএ রাজেক ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. আনছার আলী খান।কোষাধ্যক্ষ পদে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছেন স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব মেজবাহ উদ্দিন। নির্বাচিত তিন যুগ্ম সম্পাদক হলেন- প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এপিএস-১ বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, রেলওয়ে হাসপাতালের ডা. সৈয়দ ফিরোজ আলমগীর ও প্রফেসর ড. ফেরদৌসী খান।

নির্বাচিত ১৪ সদস্যের মধ্যে সর্বোচ্চ ২২৯৬ ভোট পেয়ে প্রথম সদস্য হয়েছেন পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা আসমা সিদ্দিকা মিলি। পুলিশের ২৪তম বিসিএসের এ কর্মকর্তা সম্প্রতি পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি পুলিশের উইমেন ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের এডিসি।এর পর ভোটের ফলের ভিত্তিতে বিজয়ীরা হলেন- অধ্যাপক ডা. মনিলাল আইচ লিটু, ড. মো. হারুন অর রশীদ বিশ্বাস, মো. আবদুল মান্নান, মুহাম্মদ সাকিব সাদাকাত, তানিয়া খান, আশরাফুন নেসা খান রোজি, আবদুল মান্নান ইলিয়াস, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আবদুল মজিদ, মৌসুমী হাসান, রথীন্দ্রনাথ দত্ত, ডা. মো. ইমদাদুল হক, মো. আজাহারুল ইসলাম খান এবং মো. আখতারুজ্জামান।

Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com